28 জুল, 2026 · 2 মিনিট পড়া
ব্রণ ও ব্রণের দাগ থেকে মুক্তির কার্যকর উপায়
ব্রণ শুধু কিশোর বয়সের সমস্যা নয়—হরমোনের পরিবর্তন, মানসিক চাপ, ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার কিংবা আবহাওয়ার কারণে যেকোনো বয়সেই ব্রণ হতে পারে। ব্রণ সমস্যার সমাধানের প্রথম ধাপ হলো এর কারণ বোঝা, কারণ কারণ ভেদে সমাধানও ভিন্ন হয়।
লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত তেল উৎপাদন এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ—এই তিনটি প্রধান কারণে ব্রণ হয়ে থাকে। তাই ব্রণ প্রতিরোধে এমন রুটিন দরকার, যা এই তিনটি বিষয়কেই নিয়ন্ত্রণে রাখে। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড লোমকূপ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, আর বেনজয়াইল পারঅক্সাইড ব্যাকটেরিয়া কমাতে সাহায্য করে।
তবে সবচেয়ে বড় ভুল যেটা অনেকেই করেন, তা হলো ব্রণ খুঁটে ফেলা বা চেপে বের করার চেষ্টা করা। এতে ত্বকের গভীরে প্রদাহ আরও বেড়ে যায় এবং স্থায়ী দাগ বা গর্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। ব্রণ হলে ধৈর্য ধরে সঠিক প্রোডাক্টকে কাজ করার সময় দেওয়া জরুরি।
ব্রণের দাগের ক্ষেত্রে দুই ধরনের দাগ দেখা যায়—লালচে বা বাদামি রঙের পিগমেন্টেশন দাগ এবং গভীর গর্তযুক্ত দাগ। পিগমেন্টেশন দাগের জন্য নিয়াসিনামাইড, ভিটামিন সি বা আজেলাইক অ্যাসিড সমৃদ্ধ প্রোডাক্ট সময়ের সঙ্গে বেশ কার্যকর ফল দেয়।
এক্সফোলিয়েশনও দাগ হালকা করতে সাহায্য করে, তবে অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েট করলে ত্বকের ব্যারিয়ার দুর্বল হয়ে গিয়ে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবারের বেশি কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার না করাই নিরাপদ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধারাবাহিকতা এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার। সানস্ক্রিন ছাড়া দাগ দূর করার প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে রোদের কারণে দাগ আরও গাঢ় হয়ে যেতে পারে। তাই দাগ কমানোর রুটিনের সঙ্গে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। ধৈর্য ধরে সঠিক রুটিন মেনে চললে কয়েক মাসের মধ্যেই ত্বক অনেকটা পরিষ্কার ও সুস্থ দেখাতে শুরু করে।
আরও স্কিনকেয়ার টিপস পেতে চান?
আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন, নতুন আর্টিকেল প্রকাশ হলেই জানিয়ে দেব।